০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জের অভিভাবক কি সুনামগঞ্জেরই কেউ হতে পারেন না?

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০১:১৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / ৪৩ বার পড়া হয়েছে।

সম্পাদকীয় কলাম
দৈনিক হক বার্তা অন্তরালের খবর সুনামগঞ্জ
২৯ আগষ্ট ২০২৬ ইং
সুনামগঞ্জের অভিভাবক কি সুনামগঞ্জেরই কেউ হতে পারেন না?
পাঁচ আসনে পাঁচটি বিজয়—তবু জেলার নেতৃত্বে স্থানীয় মুখের অভাব কেন?
প্রকৃতির লীলাভূমি সুনামগঞ্জ শুধু সৌন্দর্যের জেলা নয়—মৎস্য, পাথর, বালু ও নানা প্রাকৃতিক সম্পদের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একটি সম্ভাবনাময় জনপদ। হাওর, নদী আর সীমান্তঘেরা এই জেলার মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের ইতিহাসও দীর্ঘ।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবে সুনামগঞ্জবাসী তাদের সমর্থনের একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
এমন একটি জেলার মানুষের স্বাভাবিক প্রত্যাশা ছিল—নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় সুনামগঞ্জ থেকে অন্তত একজন মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রী থাকবেন। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এরপর ২৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে যখন সুনামগঞ্জের সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব সিলেটের পাশাপাশি হবিগঞ্জের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছকে দেওয়া হলো, তখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—সুনামগঞ্জের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব কি সুনামগঞ্জের কোনো জনপ্রতিনিধির হাতে দেওয়া যেত না?
দায়িত্ব যখন এত গুরুত্বপূর্ণ
এই দায়িত্বকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্তরা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তদারকি করবেন। প্রয়োজনে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সভায়ও অংশ নিতে পারবেন।
তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—এত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় বাস্তবতা কি কোনো বাড়তি সুবিধা দিতে পারত না?
সুনামগঞ্জের একজন মানুষ জানেন হাওরের মানুষের জীবনযুদ্ধ কী। জানেন বর্ষায় যোগাযোগব্যবস্থার বাস্তবতা, জানেন সীমান্ত এলাকার চোরাচালানের প্রকৃতি, জানেন মৎস্য ও পাথরসম্পদকে ঘিরে মানুষের জীবিকা, জানেন নদী-হাওর-সড়ককেন্দ্রিক সংকট। জানেন কোন উন্নয়ন প্রকল্প কাগজে যতটা সুন্দর, বাস্তবে তার প্রয়োজন কতটা।
অবশ্যই বাইরের জেলার একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধিও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তাই প্রশ্নটি ব্যক্তিবিশেষের যোগ্যতা নিয়ে নয়। প্রশ্নটি স্থানীয় প্রতিনিধিত্বের অনুভূতি ও জবাবদিহির।
সুনামগঞ্জ কি শুধু ভোট দেওয়ার জেলা?
এই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচনের সময় সুনামগঞ্জের মানুষের ভোট দরকার। উন্নয়ন প্রকল্পের সময় সুনামগঞ্জের মানুষের জমি-জীবন দরকার। রাজস্ব আদায়ের সময় সুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক সম্পদ দরকার। কিন্তু জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক তদারকির দায়িত্ব বণ্টনের সময় সুনামগঞ্জের স্থানীয় নেতৃত্বকে কেন বিবেচনায় নেওয়া হবে না—এই প্রশ্নের উত্তর জনগণ জানতে চাইতেই পারেন।
একজন স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতা থাকলে সাধারণ মানুষ অন্তত মনে করতে পারেন—“আমাদের কথা বলার মতো একজন মানুষ আমাদের মধ্যেই আছেন।”
এটি কোনো ব্যক্তি বা জেলার বিরুদ্ধে অবস্থান নয়। বরং এটি স্থানীয় মানুষের একটি গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা।
একসময় সুনামগঞ্জ নেতৃত্ব দিয়েছে, আজ কেন প্রশ্ন করতে হবে?
সুনামগঞ্জের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন বহু নেতা ছিলেন, যারা শুধু জেলার রাজনীতিতে নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এই ঐতিহ্যের জেলা আজ যদি নিজেদের জেলার জন্য একজন মন্ত্রী তো দূরের কথা, জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বেও স্থানীয় কোনো মুখ না পায়—তাহলে মানুষের মনে হতাশা তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
সুনামগঞ্জবাসী কারও বিরুদ্ধে নন। তারা বরং সরকারের কাছে একটি যৌক্তিক প্রশ্ন রাখতে চান—
যে জেলার মানুষ পাঁচটি আসনেই সরকারের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক শক্তিকে সমর্থন দিয়েছে, সেই জেলার একজন যোগ্য সন্তানকে কি জেলার দায়িত্ব দেওয়ার মতো নেতৃত্বের অভাব রয়েছে?
আমরা বিভাজন চাই না, চাই সুনামগঞ্জের অধিকার
সুনামগঞ্জবাসীর দাবি কোনো ব্যক্তিকে সরিয়ে অন্য কাউকে বসানোর দাবি নয়। দাবি হলো—যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় বাস্তবতার সমন্বয়ে সুনামগঞ্জের মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে এমন একজন স্থানীয় নেতৃত্বকে জেলার দায়িত্বে যুক্ত করা।
কারণ একজন জেলার অভিভাবক শুধু ফাইল দেখবেন না; তাকে মানুষের চোখের ভাষাও বুঝতে হবে।
হাওরের কৃষক, জেলে, পাথরশ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, তরুণ—সবাই যেন বলতে পারেন,
“আমাদের কথা শোনার জন্য আমাদেরই একজন আছেন।”
সুনামগঞ্জ কোনো প্রান্তিক জেলা নয়। এই জেলা দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও জাতীয় জীবনে বহু অবদান রেখেছে। তাই সুনামগঞ্জের মানুষের এই প্রত্যাশাকে অবহেলা না করে সরকার বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করবে—এটাই এখন জেলার মানুষের প্রত্যাশা।
সুনামগঞ্জের মানুষের প্রশ্ন খুব সহজ—
আমাদের ভোট যদি গুরুত্বপূর্ণ হয়,
তাহলে আমাদের প্রতিনিধিত্ব কি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
এই প্রশ্নের উত্তর সুনামগঞ্জবাসী সরকারের কাছ থেকেই প্রত্যাশা করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

সুনামগঞ্জের অভিভাবক কি সুনামগঞ্জেরই কেউ হতে পারেন না?

আপডেট সময়ঃ ০১:১৫:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

সম্পাদকীয় কলাম
দৈনিক হক বার্তা অন্তরালের খবর সুনামগঞ্জ
২৯ আগষ্ট ২০২৬ ইং
সুনামগঞ্জের অভিভাবক কি সুনামগঞ্জেরই কেউ হতে পারেন না?
পাঁচ আসনে পাঁচটি বিজয়—তবু জেলার নেতৃত্বে স্থানীয় মুখের অভাব কেন?
প্রকৃতির লীলাভূমি সুনামগঞ্জ শুধু সৌন্দর্যের জেলা নয়—মৎস্য, পাথর, বালু ও নানা প্রাকৃতিক সম্পদের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা একটি সম্ভাবনাময় জনপদ। হাওর, নদী আর সীমান্তঘেরা এই জেলার মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতা ও গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের ইতিহাসও দীর্ঘ।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জের পাঁচটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। অর্থাৎ রাজনৈতিকভাবে সুনামগঞ্জবাসী তাদের সমর্থনের একটি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।
এমন একটি জেলার মানুষের স্বাভাবিক প্রত্যাশা ছিল—নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় সুনামগঞ্জ থেকে অন্তত একজন মন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রী থাকবেন। কিন্তু সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। এরপর ২৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে যখন সুনামগঞ্জের সরকারি কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব সিলেটের পাশাপাশি হবিগঞ্জের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছকে দেওয়া হলো, তখন নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে—সুনামগঞ্জের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব কি সুনামগঞ্জের কোনো জনপ্রতিনিধির হাতে দেওয়া যেত না?
দায়িত্ব যখন এত গুরুত্বপূর্ণ
এই দায়িত্বকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্তরা জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক ও অবৈধ পাচার নিয়ন্ত্রণ, চোরাচালান প্রতিরোধ, গুরুতর অপরাধ দমন, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড তদারকি করবেন। প্রয়োজনে জেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সভায়ও অংশ নিতে পারবেন।
তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে—এত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধির অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় বাস্তবতা কি কোনো বাড়তি সুবিধা দিতে পারত না?
সুনামগঞ্জের একজন মানুষ জানেন হাওরের মানুষের জীবনযুদ্ধ কী। জানেন বর্ষায় যোগাযোগব্যবস্থার বাস্তবতা, জানেন সীমান্ত এলাকার চোরাচালানের প্রকৃতি, জানেন মৎস্য ও পাথরসম্পদকে ঘিরে মানুষের জীবিকা, জানেন নদী-হাওর-সড়ককেন্দ্রিক সংকট। জানেন কোন উন্নয়ন প্রকল্প কাগজে যতটা সুন্দর, বাস্তবে তার প্রয়োজন কতটা।
অবশ্যই বাইরের জেলার একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধিও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তাই প্রশ্নটি ব্যক্তিবিশেষের যোগ্যতা নিয়ে নয়। প্রশ্নটি স্থানীয় প্রতিনিধিত্বের অনুভূতি ও জবাবদিহির।
সুনামগঞ্জ কি শুধু ভোট দেওয়ার জেলা?
এই প্রশ্নটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
নির্বাচনের সময় সুনামগঞ্জের মানুষের ভোট দরকার। উন্নয়ন প্রকল্পের সময় সুনামগঞ্জের মানুষের জমি-জীবন দরকার। রাজস্ব আদায়ের সময় সুনামগঞ্জের প্রাকৃতিক সম্পদ দরকার। কিন্তু জেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক তদারকির দায়িত্ব বণ্টনের সময় সুনামগঞ্জের স্থানীয় নেতৃত্বকে কেন বিবেচনায় নেওয়া হবে না—এই প্রশ্নের উত্তর জনগণ জানতে চাইতেই পারেন।
একজন স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতা থাকলে সাধারণ মানুষ অন্তত মনে করতে পারেন—“আমাদের কথা বলার মতো একজন মানুষ আমাদের মধ্যেই আছেন।”
এটি কোনো ব্যক্তি বা জেলার বিরুদ্ধে অবস্থান নয়। বরং এটি স্থানীয় মানুষের একটি গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা।
একসময় সুনামগঞ্জ নেতৃত্ব দিয়েছে, আজ কেন প্রশ্ন করতে হবে?
সুনামগঞ্জের রাজনৈতিক ইতিহাসে এমন বহু নেতা ছিলেন, যারা শুধু জেলার রাজনীতিতে নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এই ঐতিহ্যের জেলা আজ যদি নিজেদের জেলার জন্য একজন মন্ত্রী তো দূরের কথা, জেলার তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্বেও স্থানীয় কোনো মুখ না পায়—তাহলে মানুষের মনে হতাশা তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
সুনামগঞ্জবাসী কারও বিরুদ্ধে নন। তারা বরং সরকারের কাছে একটি যৌক্তিক প্রশ্ন রাখতে চান—
যে জেলার মানুষ পাঁচটি আসনেই সরকারের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক শক্তিকে সমর্থন দিয়েছে, সেই জেলার একজন যোগ্য সন্তানকে কি জেলার দায়িত্ব দেওয়ার মতো নেতৃত্বের অভাব রয়েছে?
আমরা বিভাজন চাই না, চাই সুনামগঞ্জের অধিকার
সুনামগঞ্জবাসীর দাবি কোনো ব্যক্তিকে সরিয়ে অন্য কাউকে বসানোর দাবি নয়। দাবি হলো—যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও স্থানীয় বাস্তবতার সমন্বয়ে সুনামগঞ্জের মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারে এমন একজন স্থানীয় নেতৃত্বকে জেলার দায়িত্বে যুক্ত করা।
কারণ একজন জেলার অভিভাবক শুধু ফাইল দেখবেন না; তাকে মানুষের চোখের ভাষাও বুঝতে হবে।
হাওরের কৃষক, জেলে, পাথরশ্রমিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, তরুণ—সবাই যেন বলতে পারেন,
“আমাদের কথা শোনার জন্য আমাদেরই একজন আছেন।”
সুনামগঞ্জ কোনো প্রান্তিক জেলা নয়। এই জেলা দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও জাতীয় জীবনে বহু অবদান রেখেছে। তাই সুনামগঞ্জের মানুষের এই প্রত্যাশাকে অবহেলা না করে সরকার বিষয়টি নতুন করে বিবেচনা করবে—এটাই এখন জেলার মানুষের প্রত্যাশা।
সুনামগঞ্জের মানুষের প্রশ্ন খুব সহজ—
আমাদের ভোট যদি গুরুত্বপূর্ণ হয়,
তাহলে আমাদের প্রতিনিধিত্ব কি গুরুত্বপূর্ণ নয়?
এই প্রশ্নের উত্তর সুনামগঞ্জবাসী সরকারের কাছ থেকেই প্রত্যাশা করে।