০৫:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রেসিডেন্টের আদেশে এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৮:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৮ বার পড়া হয়েছে।

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) দুই ভাগের অধ্যাদেশের বিরোধিতা করে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ২০ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের আদেশে শাস্তি মওকুফ করার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

 

 

শাস্তি বাতিল হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- কমিশনার জাকির হোসেন (চলতি দায়িত্বে), অতিরিক্ত কর কমিশনার হাছান তারেক রিকাবদার, মির্জা আশিক রানা, চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, সুলতানা হাবীব, মুরাদ আহমেদ, সিফাত ই মরিয়ন, আ আ আমীমুল ইহসান, সাধন কুমার কুণ্ডু, যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন, মামুন মিয়া, মাসুমা খাতুন, মোরশেদ উদ্দীন খান, সানোয়ারুল কবির, উপ কর কমিশনার জিল্লুর রহমান, ইমাম তৌহিদ হোসেন, সাইদুল ইসলাম, শাহাদাৎ জামিল, রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া ও শফিউল বশর।

 

 

এনবিআর দুই ভাগ করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব নীতি নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ করে ২০২৫ সালে অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। সেই অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে প্রায় দেড় মাসজুড়ে আন্দোলন করেন এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ওই বছরের জুন মাসের শেষের দিকে দেশের শুল্ক-কর কার্যালয়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সারা দেশে অবস্থান কর্মসূচির পাশাপাশি মিছিল-সমাবেশ চলে। তখন স্থবির হয়ে যায় পুরো রাজস্ব খাত।

 

একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন স্থগিত করেছিলেন এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর এনবিআরে আন্দোলনের জেরে বরখাস্ত, বদলিসহ নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়।

 

এরপর আন্দোলনের সামনের সারির নেতাদের ‘দুর্নীতির তথ্যানুসন্ধানে’ নামে দুদক। তিন দফায় ১৬ জনের তথ্যানুসন্ধান শুরুর তথ্য দেয় সংস্থাটি। এরপর নতুন সরকার গঠনের আগেই একের পর এক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত আসতে থাকে। এরমধ্যে অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। কারো বিরুদ্ধে নেওয়া হয় লঘুদণ্ড।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

প্রেসিডেন্টের আদেশে এনবিআরের ২০ কর্মকর্তার শাস্তি বাতিল

আপডেট সময়ঃ ০৮:৫৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) দুই ভাগের অধ্যাদেশের বিরোধিতা করে আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ২০ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফ করা হয়েছে। প্রেসিডেন্টের আদেশে শাস্তি মওকুফ করার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি)।

 

 

শাস্তি বাতিল হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- কমিশনার জাকির হোসেন (চলতি দায়িত্বে), অতিরিক্ত কর কমিশনার হাছান তারেক রিকাবদার, মির্জা আশিক রানা, চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, সুলতানা হাবীব, মুরাদ আহমেদ, সিফাত ই মরিয়ন, আ আ আমীমুল ইহসান, সাধন কুমার কুণ্ডু, যুগ্ম কর কমিশনার মোনালিসা শাহরীন, মামুন মিয়া, মাসুমা খাতুন, মোরশেদ উদ্দীন খান, সানোয়ারুল কবির, উপ কর কমিশনার জিল্লুর রহমান, ইমাম তৌহিদ হোসেন, সাইদুল ইসলাম, শাহাদাৎ জামিল, রাজস্ব কর্মকর্তা সবুজ মিয়া ও শফিউল বশর।

 

 

এনবিআর দুই ভাগ করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও রাজস্ব নীতি নামে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগ করে ২০২৫ সালে অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। সেই অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে প্রায় দেড় মাসজুড়ে আন্দোলন করেন এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ওই বছরের জুন মাসের শেষের দিকে দেশের শুল্ক-কর কার্যালয়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। সারা দেশে অবস্থান কর্মসূচির পাশাপাশি মিছিল-সমাবেশ চলে। তখন স্থবির হয়ে যায় পুরো রাজস্ব খাত।

 

একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন স্থগিত করেছিলেন এনবিআরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এরপর এনবিআরে আন্দোলনের জেরে বরখাস্ত, বদলিসহ নানা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়।

 

এরপর আন্দোলনের সামনের সারির নেতাদের ‘দুর্নীতির তথ্যানুসন্ধানে’ নামে দুদক। তিন দফায় ১৬ জনের তথ্যানুসন্ধান শুরুর তথ্য দেয় সংস্থাটি। এরপর নতুন সরকার গঠনের আগেই একের পর এক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত আসতে থাকে। এরমধ্যে অনেক কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়। কারো বিরুদ্ধে নেওয়া হয় লঘুদণ্ড।