০৫:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দিরাইয়ে বাঁশের সাঁকোই ভরসা, পাঁচ দশকেও মেলেনি একটি সড়ক

রিপোর্টার নামঃ
  • আপডেট সময়ঃ ০৩:১৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১২ বার পড়া হয়েছে।

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

বৃষ্টি নামলেই আতঙ্ক বাড়ে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামের মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সড়কের অভাবে বর্ষায় বাঁশের সাঁকো আর শুষ্ক মৌসুমে কাঁচা ও দুর্গম পথই তাঁদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। প্রায় পাঁচ দশক ধরে এ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

 

বিশেষ করে বর্ষাকালে দুর্ভোগ চরমে ওঠে। গ্রামের শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে প্রতিদিন পাড়ি দিতে হয় পিচ্ছিল বাঁশের সাঁকো। এক হাতে বই-খাতা, অন্য হাতে সাঁকোর বাঁশ আঁকড়ে ধরে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয় তাদের। সামান্য অসাবধান হলেই নিচের পানিতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় বয়স্ক, নারী ও অসুস্থ রোগীদেরও।

 

বৃষ্টিতে পিচ্ছিল সাঁকো, বাড়ে দুর্ঘটনার শঙ্কা:

সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের পথের একটি অংশজুড়ে রয়েছে বাঁশের তৈরি সাঁকো। বৃষ্টিতে সাঁকো ভিজে পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। দুই পাশে নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পারাপারের সময় শিশু ও বয়স্কদের অন্যের সহযোগিতা নিতে হয়।

 

স্থানীয়রা জানান, অসাবধান হয়ে সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। বর্ষায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাঁকো পারাপারের ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

 

বিদ্যালয়ে যেতেও ভয় শিশুদের:

পেরুয়া মধুপুর গ্রামের শিশুদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময়। মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে প্রতিদিন তাদের এই সাঁকো পার হতে হয়।

 

বর্ষাকালে সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে উঠলে অনেক অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে পাঠাতেও ভয় পান। কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে সন্তানকে সঙ্গে করে বিদ্যালয়ে নিয়ে যান।

 

মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, বর্ষাকালে সাঁকো দিয়ে যাতায়াত শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারে না। স্থায়ী সড়ক নির্মাণ করা গেলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতিও বাড়বে।

 

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবাইদা বলে, ‘বৃষ্টি হলে সাঁকো পিচ্ছিল থাকে। স্কুলে যেতে ভয় লাগে। পড়ে যাওয়ার ভয় হয়। রাস্তা হলে আমরা নিরাপদে স্কুলে যেতে পারব।’

 

রোগী নিয়ে পড়তে হয় চরম বিপাকে:

শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, গ্রামের অসুস্থ রোগীদেরও চিকিৎসার জন্য বাইরে নিতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় স্বজনদের। জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে সাঁকো পার হওয়া অনেক সময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্যও সাঁকো পারাপার কষ্টকর। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। জরুরি প্রয়োজনে গ্রামের বাইরে যেতে হলে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হয় অথবা ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হয়।

 

দীর্ঘদিনের দাবি, বাস্তবায়ন হয়নি:

গ্রামের বাসিন্দা সুবায়েল মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা একটি স্থায়ী সড়কের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও দপ্তরে আবেদন করে আসছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা হয়নি।

 

তিনি বলেন, ‘বর্ষাকালে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। বছরের পর বছর ধরে আমরা এভাবে চলাচল করছি। একটি স্থায়ী রাস্তা হলে গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে।’

 

এরশাদ মিয়া বলেন, ‘শুধু শিক্ষার্থী নয়, নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদেরও এই সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। বৃষ্টি হলে ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আমরা দ্রুত একটি স্থায়ী সড়ক চাই।’

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়ক নির্মাণের আশ্বাস শুনে এলেও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে বর্ষায় বাঁশের সাঁকো এবং শুষ্ক মৌসুমে কাঁচা পথই তাঁদের চলাচলের প্রধান মাধ্যম।

 

চেয়ারম্যানের দাবি, বরাদ্দ না পাওয়ায় আটকে আছে উদ্যোগ:

চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিতোষ রায় বলেন, পেরুয়া মধুপুর গ্রামের সড়ক নির্মাণে তাঁর উদ্যোগ রয়েছে। তবে মাটির বরাদ্দ না পাওয়ায় বারবার চেষ্টা করেও কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

 

তিনি বলেন, ‘সড়ক না থাকায় গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখলে দ্রুত সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।’

 

স্থায়ী সড়ক চান গ্রামবাসী;

গ্রামবাসীর দাবি, বাঁশের সাঁকো সংস্কার করে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাঁদের প্রয়োজন একটি পাকা ও স্থায়ী যোগাযোগব্যবস্থা। একটি সড়ক নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অসুস্থ রোগী পরিবহন, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও স্বস্তি ফিরবে।

 

প্রায় পাঁচ দশকের এই দীর্ঘ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে—এমন প্রত্যাশাই এখন পেরুয়া মধুপুর গ্রামের মানুষের।

ট্যাগসঃ

নিউজটি শেয়ার করুন

বিস্তারিত লিখুনঃ

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

দিরাইয়ে বাঁশের সাঁকোই ভরসা, পাঁচ দশকেও মেলেনি একটি সড়ক

আপডেট সময়ঃ ০৩:১৯:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হকবার্তা ডেস্ক রিপোর্ট;

সুনামগঞ্জ ।। ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

 

বৃষ্টি নামলেই আতঙ্ক বাড়ে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের পেরুয়া মধুপুর গ্রামের মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সড়কের অভাবে বর্ষায় বাঁশের সাঁকো আর শুষ্ক মৌসুমে কাঁচা ও দুর্গম পথই তাঁদের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। প্রায় পাঁচ দশক ধরে এ দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ।

 

বিশেষ করে বর্ষাকালে দুর্ভোগ চরমে ওঠে। গ্রামের শিশুদের বিদ্যালয়ে যেতে প্রতিদিন পাড়ি দিতে হয় পিচ্ছিল বাঁশের সাঁকো। এক হাতে বই-খাতা, অন্য হাতে সাঁকোর বাঁশ আঁকড়ে ধরে ঝুঁকি নিয়ে পার হতে হয় তাদের। সামান্য অসাবধান হলেই নিচের পানিতে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় বয়স্ক, নারী ও অসুস্থ রোগীদেরও।

 

বৃষ্টিতে পিচ্ছিল সাঁকো, বাড়ে দুর্ঘটনার শঙ্কা:

সরেজমিনে দেখা যায়, গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ চলাচলের পথের একটি অংশজুড়ে রয়েছে বাঁশের তৈরি সাঁকো। বৃষ্টিতে সাঁকো ভিজে পিচ্ছিল হয়ে পড়ে। দুই পাশে নিরাপত্তার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পারাপারের সময় শিশু ও বয়স্কদের অন্যের সহযোগিতা নিতে হয়।

 

স্থানীয়রা জানান, অসাবধান হয়ে সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। বর্ষায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সাঁকো পারাপারের ঝুঁকিও কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

 

বিদ্যালয়ে যেতেও ভয় শিশুদের:

পেরুয়া মধুপুর গ্রামের শিশুদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে হয় বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময়। মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেতে প্রতিদিন তাদের এই সাঁকো পার হতে হয়।

 

বর্ষাকালে সাঁকো পিচ্ছিল হয়ে উঠলে অনেক অভিভাবক সন্তানদের স্কুলে পাঠাতেও ভয় পান। কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে সন্তানকে সঙ্গে করে বিদ্যালয়ে নিয়ে যান।

 

মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, বর্ষাকালে সাঁকো দিয়ে যাতায়াত শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এতে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত হতে পারে না। স্থায়ী সড়ক নির্মাণ করা গেলে শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বিদ্যালয়ে উপস্থিতিও বাড়বে।

 

চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী জুবাইদা বলে, ‘বৃষ্টি হলে সাঁকো পিচ্ছিল থাকে। স্কুলে যেতে ভয় লাগে। পড়ে যাওয়ার ভয় হয়। রাস্তা হলে আমরা নিরাপদে স্কুলে যেতে পারব।’

 

রোগী নিয়ে পড়তে হয় চরম বিপাকে:

শুধু শিক্ষার্থীদের নয়, গ্রামের অসুস্থ রোগীদেরও চিকিৎসার জন্য বাইরে নিতে গিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয় স্বজনদের। জরুরি প্রয়োজনে রোগী নিয়ে সাঁকো পার হওয়া অনেক সময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে।

 

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্যও সাঁকো পারাপার কষ্টকর। বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। জরুরি প্রয়োজনে গ্রামের বাইরে যেতে হলে দীর্ঘ পথ ঘুরে যেতে হয় অথবা ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে হয়।

 

দীর্ঘদিনের দাবি, বাস্তবায়ন হয়নি:

গ্রামের বাসিন্দা সুবায়েল মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা একটি স্থায়ী সড়কের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও দপ্তরে আবেদন করে আসছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো ব্যবস্থা হয়নি।

 

তিনি বলেন, ‘বর্ষাকালে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। বছরের পর বছর ধরে আমরা এভাবে চলাচল করছি। একটি স্থায়ী রাস্তা হলে গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে।’

 

এরশাদ মিয়া বলেন, ‘শুধু শিক্ষার্থী নয়, নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদেরও এই সাঁকো ব্যবহার করতে হয়। বৃষ্টি হলে ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আমরা দ্রুত একটি স্থায়ী সড়ক চাই।’

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে সড়ক নির্মাণের আশ্বাস শুনে এলেও তা বাস্তবে রূপ নেয়নি। জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও স্থায়ী সমাধান হয়নি। ফলে বর্ষায় বাঁশের সাঁকো এবং শুষ্ক মৌসুমে কাঁচা পথই তাঁদের চলাচলের প্রধান মাধ্যম।

 

চেয়ারম্যানের দাবি, বরাদ্দ না পাওয়ায় আটকে আছে উদ্যোগ:

চরনারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিতোষ রায় বলেন, পেরুয়া মধুপুর গ্রামের সড়ক নির্মাণে তাঁর উদ্যোগ রয়েছে। তবে মাটির বরাদ্দ না পাওয়ায় বারবার চেষ্টা করেও কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

 

তিনি বলেন, ‘সড়ক না থাকায় গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখলে দ্রুত সড়ক নির্মাণের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।’

 

স্থায়ী সড়ক চান গ্রামবাসী;

গ্রামবাসীর দাবি, বাঁশের সাঁকো সংস্কার করে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। তাঁদের প্রয়োজন একটি পাকা ও স্থায়ী যোগাযোগব্যবস্থা। একটি সড়ক নির্মাণ হলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি অসুস্থ রোগী পরিবহন, কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণ এবং মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও স্বস্তি ফিরবে।

 

প্রায় পাঁচ দশকের এই দীর্ঘ দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেবে—এমন প্রত্যাশাই এখন পেরুয়া মধুপুর গ্রামের মানুষের।